ব্রেকিং নিউজঃ সেই বাড়ির মালিক শম্পাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব

জীবনযাত্রা সমগ্র বাংলা

রাজধানীর কাঠাঁলবাগানে ভাড়াটিয়াকে বের করে দেওয়া বাড়ির মালিক শম্পাকে ধানমন্ডি থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

এক মাসের ভাড়া বাকির অভিযোগে ঝড়ের রাতে কাঠালবাগানের বাসা থেকে ভাড়াটিয়াকে বের করে দেয় বাড়ির মালিক শম্পা। ভুক্তভোগী পরিবারটি কলাবাগান থানায় মামলা করেছিলেন। রবিবার (১৯শে এপ্রিল) র‌্যাব ও পুলিশ সদস্যরা কয়েকদফা চেষ্টা করলে উল্টো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দেখে নেয়ার হুমকির অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী পরিবারটি কলাবাগান থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ বলছে, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শনিবার (১৮ই এপ্রিল) রাত ৯টায় ট্রিপল নাইনে ফোন-এক নারীর অভিযোগ তার বাসায় লুটপাট করছে ভাড়াটিয়া। তবে ঘটনাস্থলে গিয়ে উল্টো চিত্র দেখতে পায় পুলিশ। ১ মাসের বাড়িভাড়া দিতে না পারায় ভাড়াটিয়াকে বাড়ি থেকে বের করতেই নাটক সাজান বাড়িওয়ালা। পুলিশ ঝড়ের রাতে পরিবারটিকে বাড়ি থেকে বের না করার আহ্বান জানালেও মানতে নারাজ বাড়িওয়ালা।

পুলিশ চলে গেলে রাত সাড়ে ১০টায় জোর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়। ভাড়ার টাকা ছাড়া বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়া হয়। বাধ্য হয়ে বাড্ডায় এক আত্মীয়ের বাসায় আশ্রয় নেয় পরিবারটি।

ভুক্তভোগী ওই পরিবারের নারী সদস্য বলেন, ‘উনি একমাসের ভাড়া পাবে, এটার জন্য তিনি চিল্লাচিল্লি করে গেছে। আমি বলসি, এই অবস্থার মধ্যে আমি টাকা দিতে পারবো না। উনি বললো টাকা দিতে না পারলে বাসা থেকে বের হয়ে যাও। তারপর পুলিশকে ফোন দিসে. পরে পুলিশ আসছে। তারপর তাদের বলছে, তাকে হুমকি দিতেসে, তাকে গেটে লাগাতে দিচ্ছেনা। বলে, আমার হাজবেন্ড নাকি নেশা করে, মাদক বেচে আর আমি নাকি এটার ই করি।’

ভুক্তভোগীর অভিযোগ বাসায় ওঠার পর থেকেই নানারকম নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে তাদের।

ভুক্তভোগী ওই পরিবারের পুরুষ সদস্য জানান, ‘চার-পাঁচদিন আগে থেকেই ভাড়ার জন্য চাপ দিতেসে। একটু পরপর এটা চাইতেসে। ভাড়াও চাইতেসে, সাথে খাবারও চাইতেসে।’

ভুক্তভোগী ওই পরিবারের নারী সদস্য আরও বলেন, ‘উনারা পাঁচজন লোক কখনও বাসায় ভাত রেঁধে খেতো না। আমার বাসাতেই খেতো। বলে হয় টাকা দে, নয় ঘর তালা মারমু। তার চার ছেলেসহ ৫ জন আমারে খুব টর্চার করসে। আমরা স্বামী-স্ত্রী বাচ্চা নিয়ে ভ্যানের ওপর রাত কাটাইসি।’
সূত্রঃঃ ডিবিসি নিউজ টিভি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *